পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা

পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা

178.50৳ 

-15%

 

“পাইথন দিয়ে প্রােগ্রামিং শেখা” ভূমিকা: বাংলাদেশের অর্থনীতি তিনটি পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমটি পােশাকশিল্প, দ্বিতীয়টি কৃষি ও তৃতীয়টি হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের শ্রম। কিন্তু চতুর্থ পিলারটি অনুপস্থিত। সেই পিলারটি হতে পারত তথ্যপ্রযুক্তি। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনা ও চেষ্টার অভাবে বাংলাদেশ এই খাতে এখনাে অনেক অনেক পেছনে। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে যে যতই কথা বলুক, যত শর্টকাটে বড়লােক হওয়ার স্বপ্নই দেখাক, এতে কাজের কাজ কিছু হবে না। তথ্যপ্রযুক্তির মূল বিষয় হচ্ছে প্রােগ্রামিং আর সেটাকে ধরেই আমাদের আগাতে হবে। অনেক দেরিতে হলেও বাংলাদেশের অনেকেই সেটা বুঝতে শুরু করেছে, আর তাই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও তাদের নিয়মিত পড়াশােনার বাইরে প্রােগ্রামিং শেখার চেষ্টা করে যাচ্ছে, বিভিন্ন প্রােগ্রামিং প্রতিযােগিতায়ও অংশগ্রহণ করছে। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের যে, বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করে আমার লেখা কম্পিউটার প্রােগ্রামিং ১ম খণ্ড বইটি দিয়ে। বইটিতে সি (C) প্রােগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে প্রােগ্রামিংয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করানাের চেষ্টা করেছি। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য পাইথন (Python) নামক প্রােগ্রামিং ভাষাটি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যেমন পাইথন দিয়ে প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করছে, তেমনি এমআইটি (MIT)-এর মতাে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলােও তাদের সিলেবাসে পাইথন দিয়ে প্রােগ্রামিং ও কম্পিউটার বিজ্ঞান শেখা শুরু করার কোর্স নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও যেন এদিক থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সেজন্য আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস এই বইটি। আমি এর আগে পাইথন নিয়ে ‘পাইথন পরিচিতি’ নামক একটি বই লিখেছি, কিন্তু সেটি আসলে প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য নয়, বরং যারা প্রােগ্রামিং পারে কিন্তু পাইথন শিখতে চায়, তাদের জন্য। আর এই বইটি হচ্ছে যাদের প্রােগ্রামিং সম্পর্কে কোনাে ধারণা নেই, তাদের জন্য। ষষ্ঠ শ্রেণি ও তার ওপরের ক্লাসের শিক্ষার্থীদের বইটি পড়ে বুঝতে কোনাে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। বইটি রিভিউ করেছেন তাহমিদ রাফি, তানভীরুল। ইসলাম, আবু আশরাফ মাসনুন ও মাফিনার খান। তাঁদের রিভিউ আমাকে অনেক সাহায্য করেছে বইটির বিভিন্ন ভুলত্রুটি সংশােধন করতে। তাই তাঁদের কাছে রইল কৃতজ্ঞতা। আর আমার স্ত্রী সিরাজুম মুনিরা পারমিতাও বইটি লেখার সময় অনেক উৎসাহ দিয়েছে। তার প্রােগ্রামিং ভীতি কাটানাের জন্যই বইটা তাড়াতাড়ি শেষ করা, নইলে আলসেমি করে আরাে অনেক সময় কাটিয়ে দিতাম। বছর দুয়েক আগে আমার প্রােগ্রামিং গুরু এস এম শাহরিয়ার হােসেনের সঙ্গে যখন আমার দেখা হয়, তখন তিনি আমাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন, “যেকোনাে কাজ করার সময়ই মান বজায় রাখতে হবে এবং ভালাে করার চেষ্টা করতে হবে। তােমার লেখা বই বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা পড়ে, খুব ভালাে কথা। এখন তুমি যদি আরেকটা বই লিখো, তাহলে সেই বইটা যেন আগের বইয়ের চেয়ে আরাে ভালাে হয়। এরকম যেন মনে না হয় যে, একটা বই লেখা দরকার, কিছু একটা লিখে ফেললাম। কিংবা আর কেউ তাে লিখে না, তাই আমি যা খুশি লিখে ফেলি৷” তাে আমি চেষ্টা করেছি তাঁর উপদেশ মেনে চলতে।

আমার হাইস্কুল জীবন কেটেছে ঢাকার এ কে হাই স্কুলে। সেখানে আমার অন্যতম প্রিয় শিক্ষক ছিলেন ইসলাম স্যার (বিজ্ঞান ও গণিত) ও এরশাদ উল্যাহ স্যার (ইংরেজি)। স্কুল জীবনের পরে দুয়েকবার এরশাদ উল্যাহ স্যারের সঙ্গে দেখা হলেও ইসলাম স্যারের সঙ্গে দেখা হয় নি। অনেকবার ভেবেছি যে স্যারদের বাসায় গিয়ে দেখা করবাে, কিন্তু ঠিক কী উছিলায় যে যাবাে, তা খুঁজে বের করতে পারি না। তাই এই বইটি আমি তাঁদেরকে উৎসর্গ করছি। নিশ্চয়ই এবারে বইটি উপহার দেওয়ার ছুঁতােয় স্যারদের সঙ্গে দেখা করতে পারবাে।

গতের সঙ্গে পরিচিত করাবে। বইটি পড়ে তারা প্রােগ্রামিং শিখতে উৎসাহ পাবে। আর হ্যাঁ, বাংলাদেশের অর্থনীতির যেই চতুর্থ পিলার, সেটি আমাদের ছেলেমেয়েরা একসময় তৈরি করে ফেলবে।

Availability: 78 in stock

178.50৳ 

Availability: 78 in stock

Add to cart
Buy Now

Product Description

 

“পাইথন দিয়ে প্রােগ্রামিং শেখা” ভূমিকা: বাংলাদেশের অর্থনীতি তিনটি পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমটি পােশাকশিল্প, দ্বিতীয়টি কৃষি ও তৃতীয়টি হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের শ্রম। কিন্তু চতুর্থ পিলারটি অনুপস্থিত। সেই পিলারটি হতে পারত তথ্যপ্রযুক্তি। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনা ও চেষ্টার অভাবে বাংলাদেশ এই খাতে এখনাে অনেক অনেক পেছনে। তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে যে যতই কথা বলুক, যত শর্টকাটে বড়লােক হওয়ার স্বপ্নই দেখাক, এতে কাজের কাজ কিছু হবে না। তথ্যপ্রযুক্তির মূল বিষয় হচ্ছে প্রােগ্রামিং আর সেটাকে ধরেই আমাদের আগাতে হবে। অনেক দেরিতে হলেও বাংলাদেশের অনেকেই সেটা বুঝতে শুরু করেছে, আর তাই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও তাদের নিয়মিত পড়াশােনার বাইরে প্রােগ্রামিং শেখার চেষ্টা করে যাচ্ছে, বিভিন্ন প্রােগ্রামিং প্রতিযােগিতায়ও অংশগ্রহণ করছে। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের যে, বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করে আমার লেখা কম্পিউটার প্রােগ্রামিং ১ম খণ্ড বইটি দিয়ে। বইটিতে সি (C) প্রােগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে প্রােগ্রামিংয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করানাের চেষ্টা করেছি। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য পাইথন (Python) নামক প্রােগ্রামিং ভাষাটি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যেমন পাইথন দিয়ে প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করছে, তেমনি এমআইটি (MIT)-এর মতাে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলােও তাদের সিলেবাসে পাইথন দিয়ে প্রােগ্রামিং ও কম্পিউটার বিজ্ঞান শেখা শুরু করার কোর্স নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও যেন এদিক থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সেজন্য আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস এই বইটি। আমি এর আগে পাইথন নিয়ে ‘পাইথন পরিচিতি’ নামক একটি বই লিখেছি, কিন্তু সেটি আসলে প্রােগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য নয়, বরং যারা প্রােগ্রামিং পারে কিন্তু পাইথন শিখতে চায়, তাদের জন্য। আর এই বইটি হচ্ছে যাদের প্রােগ্রামিং সম্পর্কে কোনাে ধারণা নেই, তাদের জন্য। ষষ্ঠ শ্রেণি ও তার ওপরের ক্লাসের শিক্ষার্থীদের বইটি পড়ে বুঝতে কোনাে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। বইটি রিভিউ করেছেন তাহমিদ রাফি, তানভীরুল। ইসলাম, আবু আশরাফ মাসনুন ও মাফিনার খান। তাঁদের রিভিউ আমাকে অনেক সাহায্য করেছে বইটির বিভিন্ন ভুলত্রুটি সংশােধন করতে। তাই তাঁদের কাছে রইল কৃতজ্ঞতা। আর আমার স্ত্রী সিরাজুম মুনিরা পারমিতাও বইটি লেখার সময় অনেক উৎসাহ দিয়েছে। তার প্রােগ্রামিং ভীতি কাটানাের জন্যই বইটা তাড়াতাড়ি শেষ করা, নইলে আলসেমি করে আরাে অনেক সময় কাটিয়ে দিতাম। বছর দুয়েক আগে আমার প্রােগ্রামিং গুরু এস এম শাহরিয়ার হােসেনের সঙ্গে যখন আমার দেখা হয়, তখন তিনি আমাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন, “যেকোনাে কাজ করার সময়ই মান বজায় রাখতে হবে এবং ভালাে করার চেষ্টা করতে হবে। তােমার লেখা বই বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা পড়ে, খুব ভালাে কথা। এখন তুমি যদি আরেকটা বই লিখো, তাহলে সেই বইটা যেন আগের বইয়ের চেয়ে আরাে ভালাে হয়। এরকম যেন মনে না হয় যে, একটা বই লেখা দরকার, কিছু একটা লিখে ফেললাম। কিংবা আর কেউ তাে লিখে না, তাই আমি যা খুশি লিখে ফেলি৷” তাে আমি চেষ্টা করেছি তাঁর উপদেশ মেনে চলতে।

আমার হাইস্কুল জীবন কেটেছে ঢাকার এ কে হাই স্কুলে। সেখানে আমার অন্যতম প্রিয় শিক্ষক ছিলেন ইসলাম স্যার (বিজ্ঞান ও গণিত) ও এরশাদ উল্যাহ স্যার (ইংরেজি)। স্কুল জীবনের পরে দুয়েকবার এরশাদ উল্যাহ স্যারের সঙ্গে দেখা হলেও ইসলাম স্যারের সঙ্গে দেখা হয় নি। অনেকবার ভেবেছি যে স্যারদের বাসায় গিয়ে দেখা করবাে, কিন্তু ঠিক কী উছিলায় যে যাবাে, তা খুঁজে বের করতে পারি না। তাই এই বইটি আমি তাঁদেরকে উৎসর্গ করছি। নিশ্চয়ই এবারে বইটি উপহার দেওয়ার ছুঁতােয় স্যারদের সঙ্গে দেখা করতে পারবাে।

গতের সঙ্গে পরিচিত করাবে। বইটি পড়ে তারা প্রােগ্রামিং শিখতে উৎসাহ পাবে। আর হ্যাঁ, বাংলাদেশের অর্থনীতির যেই চতুর্থ পিলার, সেটি আমাদের ছেলেমেয়েরা একসময় তৈরি করে ফেলবে।

লিখেছেন

প্রকাশনী

দ্বিমিক প্রকাশনী

আইএসবিএন

9789849216452

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শেখা”

Your email address will not be published.