প্রোগ্রামিংয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী

প্রোগ্রামিংয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী

306.00৳ 

-15%

‘প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী’ বইয়ের ভুমিকাঃ

প্রােগ্রামিংয়ের বেসিক জিনিসগুলা শিখলাম, দুই-একটা বইও পড়লাম। টুকটাক প্রােগ্রামিং পারি। কিন্তু এর পর কি করবাে? আর কী কী জানলে একজন পরিপূর্ন প্রােগ্রামার হওয়া যাবে? কী কী করলে প্রােগ্রামিংয়ের চাকরির জন্য এপ্লাই করা যাবে? কতদিন লাগবে? আচ্ছা, গুগল মাইক্রোসফট, ফেইসবুকের মতাে বড় বড় কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার জন্য কি কি করা লাগবে? এপ্লাই করে যাচ্ছি কিন্তু ইন্টারভিউতে কল পাচ্ছি না, কি করবাে? এই প্রশ্নগুলাের যাদের মাথায় দীর্ঘদিন ধরে কুট কুট করে কামড়ে যাচ্ছে তাদের জন্য এই বই ‘প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী’।

এই বইটার তিনটা উদ্দেশ্য

১. যারা প্রােগ্রামিংয়ের বেসিক জিনিসগুলাে শিখার পরে কি করতে হবে জানে না, তাদেরকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়া। ২. যারা প্রােগ্রামিং শিখে চাকরি পেতে চায় তাদের কমপ্লিট একটা গাইডলাইন দেয়া। ৩. প্রােগ্রামিংয়ের ইন্টারিভিউতে যে কোম্পানি যে এঙ্গেল থেকেই প্রশ্ন করুক না কেনাে, সেটার যাতে উত্তর দিতে পারার মতাে করে প্রস্তুত করে নেয়া। সেটা। ছােট, মাঝারি এমনকি গুগল, মাইক্রোসফট, ফেইসবুকের মতাে বড় কোম্পানি হােক না কেনাে।

বইটি কাদের জন্য

যারা একটু-আধটু প্রােগ্রামিং জানে। বেসিক কনসেপ্টগুলাে বুঝে। কমপক্ষে ভেরিয়েবল, array, লুপ, if-else এই জিনিসগুলাে বুঝে। তাদের জন্য এই বইটি। যারা একদমই প্রােগ্রামিং সম্পর্কে কিছুই জানে না। তাদের পড়তে হালকা একটু কষ্ট হবে। তবে যেভাবে প্রােগ্রামিংয়ের জিনিসগুলাে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারা পড়া চালিয়ে যেতে পারে।

আর যদি একদম পাখা স্টাইলে পড়তে চায় তাহলে- একই লেখকের ‘হাবলুদের জন্য প্রােগ্রামিং () আগে পড়বে। তারপর ‘প্রােগ্রামিংয়ের বলদ টু বস’ পড়বে। তারপর প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী পড়বে।

বইটির ভূমিকায় লেখক লিখেছেন

হুজুগে, বাপের হােটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুর্যোগে, কিংবা গুগল, মাইক্রোসফট, ফেইসবুকের মতাে বড় বড় কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার সুযােগে; যে। যেকারনেই প্রােগ্রামিং শিখতে আগ্রহী হােক না কেনাে তাকে প্রােগ্রামার হিসেবে একটু লেভেলে উঠতে হবে।

এই লেভেলটা প্রােগ্রামিংয়ের কয়েকটা বেসিক জিনিসে কিক মেরে, দু-চারবার কোডের রান বাটনে ক্লিক করে, বাকি সময় মার্বেল খেলে, কদবেল গিলে পাওয়া যায় না। বরং একটা প্রফেশনাল সফটওয়্যার বানানাের সব এরিয়া সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। প্রবলেম সলভিং, অ্যালগরিদম, টাইম কমপ্লেক্সিটি, রিকারসন, ডাটাবেজ, আর্কিটেকচার, হাবিজাবি বুঝতে হবে, ইন্টারভিউ পার হওয়ার স্পেশাল প্রিপারেশন নিতে হবে। প্রােগ্রামিংয়ের ইন্টারভিউতে যত এঙ্গেলে। প্রশ্ন করতে পারে, তত এঙ্গেলে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ প্রােগ্রামিংয়ের বাপ-মা, মামা-খালু, ফুফাতাে ভাই, চাচাতাে বােনসহ প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

এই চৌদ্দগােষ্ঠীর কথা শুনলেই যাদের গলা শুকিয়ে যায়, মাথায় ঝিম ধরে তাদের জন্যই চায়ের দোকানের গল্প, আড্ডা আর মাস্তির মাধ্যমে প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠীকে উপস্থাপন করা হয়েছে। চায়ের দোকানের আড়ার ভাষা দিয়ে। যাতে হাবলু-বলদ মার্কা পিছিয়ে পড়া একজনের চাকরি পাওয়ার সংগ্রামের সাথে অন্যরাও শিখে শিখে প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী উদ্ধার করতে পারে।

Availability: 79 in stock

306.00৳ 

Availability: 79 in stock

Add to cart
Buy Now

Product Description

‘প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী’ বইয়ের ভুমিকাঃ

প্রােগ্রামিংয়ের বেসিক জিনিসগুলা শিখলাম, দুই-একটা বইও পড়লাম। টুকটাক প্রােগ্রামিং পারি। কিন্তু এর পর কি করবাে? আর কী কী জানলে একজন পরিপূর্ন প্রােগ্রামার হওয়া যাবে? কী কী করলে প্রােগ্রামিংয়ের চাকরির জন্য এপ্লাই করা যাবে? কতদিন লাগবে? আচ্ছা, গুগল মাইক্রোসফট, ফেইসবুকের মতাে বড় বড় কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার জন্য কি কি করা লাগবে? এপ্লাই করে যাচ্ছি কিন্তু ইন্টারভিউতে কল পাচ্ছি না, কি করবাে? এই প্রশ্নগুলাের যাদের মাথায় দীর্ঘদিন ধরে কুট কুট করে কামড়ে যাচ্ছে তাদের জন্য এই বই ‘প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী’।

এই বইটার তিনটা উদ্দেশ্য

১. যারা প্রােগ্রামিংয়ের বেসিক জিনিসগুলাে শিখার পরে কি করতে হবে জানে না, তাদেরকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়া। ২. যারা প্রােগ্রামিং শিখে চাকরি পেতে চায় তাদের কমপ্লিট একটা গাইডলাইন দেয়া। ৩. প্রােগ্রামিংয়ের ইন্টারিভিউতে যে কোম্পানি যে এঙ্গেল থেকেই প্রশ্ন করুক না কেনাে, সেটার যাতে উত্তর দিতে পারার মতাে করে প্রস্তুত করে নেয়া। সেটা। ছােট, মাঝারি এমনকি গুগল, মাইক্রোসফট, ফেইসবুকের মতাে বড় কোম্পানি হােক না কেনাে।

বইটি কাদের জন্য

যারা একটু-আধটু প্রােগ্রামিং জানে। বেসিক কনসেপ্টগুলাে বুঝে। কমপক্ষে ভেরিয়েবল, array, লুপ, if-else এই জিনিসগুলাে বুঝে। তাদের জন্য এই বইটি। যারা একদমই প্রােগ্রামিং সম্পর্কে কিছুই জানে না। তাদের পড়তে হালকা একটু কষ্ট হবে। তবে যেভাবে প্রােগ্রামিংয়ের জিনিসগুলাে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারা পড়া চালিয়ে যেতে পারে।

আর যদি একদম পাখা স্টাইলে পড়তে চায় তাহলে- একই লেখকের ‘হাবলুদের জন্য প্রােগ্রামিং () আগে পড়বে। তারপর ‘প্রােগ্রামিংয়ের বলদ টু বস’ পড়বে। তারপর প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী পড়বে।

বইটির ভূমিকায় লেখক লিখেছেন

হুজুগে, বাপের হােটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুর্যোগে, কিংবা গুগল, মাইক্রোসফট, ফেইসবুকের মতাে বড় বড় কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার সুযােগে; যে। যেকারনেই প্রােগ্রামিং শিখতে আগ্রহী হােক না কেনাে তাকে প্রােগ্রামার হিসেবে একটু লেভেলে উঠতে হবে।

এই লেভেলটা প্রােগ্রামিংয়ের কয়েকটা বেসিক জিনিসে কিক মেরে, দু-চারবার কোডের রান বাটনে ক্লিক করে, বাকি সময় মার্বেল খেলে, কদবেল গিলে পাওয়া যায় না। বরং একটা প্রফেশনাল সফটওয়্যার বানানাের সব এরিয়া সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। প্রবলেম সলভিং, অ্যালগরিদম, টাইম কমপ্লেক্সিটি, রিকারসন, ডাটাবেজ, আর্কিটেকচার, হাবিজাবি বুঝতে হবে, ইন্টারভিউ পার হওয়ার স্পেশাল প্রিপারেশন নিতে হবে। প্রােগ্রামিংয়ের ইন্টারভিউতে যত এঙ্গেলে। প্রশ্ন করতে পারে, তত এঙ্গেলে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ প্রােগ্রামিংয়ের বাপ-মা, মামা-খালু, ফুফাতাে ভাই, চাচাতাে বােনসহ প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

এই চৌদ্দগােষ্ঠীর কথা শুনলেই যাদের গলা শুকিয়ে যায়, মাথায় ঝিম ধরে তাদের জন্যই চায়ের দোকানের গল্প, আড্ডা আর মাস্তির মাধ্যমে প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠীকে উপস্থাপন করা হয়েছে। চায়ের দোকানের আড়ার ভাষা দিয়ে। যাতে হাবলু-বলদ মার্কা পিছিয়ে পড়া একজনের চাকরি পাওয়ার সংগ্রামের সাথে অন্যরাও শিখে শিখে প্রােগ্রামিংয়ের চৌদ্দগােষ্ঠী উদ্ধার করতে পারে।

লিখেছেন

প্রকাশনী

আদর্শ

পৃষ্ঠা

184

প্রকাশকাল

1st publisher 2018

আইএসবিএন

9789849266396

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “প্রোগ্রামিংয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী”

Your email address will not be published.